জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রস্তুতিমূলক সভা ।

বিডি নিউজ প্রতিদিনঃ আজ বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এ মালেক এর সভাপতিত্বে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ডালেম চন্দ্র বর্মন, গাজীপুর বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুল মান্নান আকন্দ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ড. মোকাদ্দেম হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. অরুন কুমার গোস্বামী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ ফিরোজ, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সদস্য ড. লিয়াকত হোসেন মোড়ল ও মোঃ নাসির উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মোঃ দিদার আলী, মোঃ শহীদুল্লাহ, ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন খোকন, নেছার আহম্মদ ভূইয়া, খন্দকার নজরুল ইসলাম, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, মোঃ আলাউদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হোসেন, হাবিবুর রহমান, মোঃ আজিজুল হক প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় ড. মোকাদ্দেম হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে অতিতেও বার বার চক্রান্তের শিকার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সরকারকে ষড়যন্ত্র, চক্রান্তের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে ও বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। অতিতের ন্যায় বর্তমানেও জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে দেশী ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এ ব্যাপারে সরকার জনগণকে সতর্ক এবং সাবধান হওয়ার পরামর্শ দেন। সভাপতির বক্তব্যে ডাঃ এস এ মালেক বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের প্রথম স্বপ্ন বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দ্বিতীয় কর্মসূচি অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তিনি দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অগ্রসর হন। সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, সবার সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং ন্যায় ভিত্তিক, বৈষম্যহীন একটি আদর্শে সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি দিয়েছিলেন।

দেশী-বিদেশী চক্রান্ত, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এভং পুঁজিবাদের এজেন্টরা বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ দেয়নি। দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হতো। অনেকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য করেন। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহান নেতা। তিনি বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্মাতা। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে তাঁর যেসব অভিযোগ করা হয় এর কোনটিই তাঁকে স্পর্শ করেনি। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারবর্গের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। পরে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি গৃহীত হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শোক র‌্যালী, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল, কাঙ্গালিভোজ অনুষ্ঠান, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও স্মরণসভা।

আনন্দ কুমার সেন , ঢাকা থেকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*