সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ডাঃ এস এ মালেক , বিশিষ্ট রাজনীতিক ও কলামিষ্ট,

উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়েই গত রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের ফলাফল নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ফলাফল গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুস বিজয়ী হয়েছে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন মূল বিরোধীদল বি এন পি ও তাদের
জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে। ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে বিজয়ী ও ঐক্যফ্রন্ট মাত্র সাতটি আসন পেয়েছে। অন্যান্য দল ও কিছু কিছু আসন পেয়েছে। এরুপ ফলাফল দেখে হয়তো কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করবেন । কিন্তু প্রকৃত ঘটনা বিশ্লেষণে ধরা পড়বে, কেন এমন হলো। মূল বিরোধীদল সব সময় বলে আসছে , তত্ত¡াবধায়ক সরকার ছাড়া দলটি নির্বাচনে যাবেনা। যদিও এই দাবিটি অনেক পুরানো কথা।ড. কামাল হোসেন ,বি এন পি -জামায়াত কে নিয়ে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট গঠন করার পর রাজনীতিতে সুবাতাস বয়তে থাকে। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারের সাথে কয়েক দফা বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহনের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেয়। কিন্তু মূল বিরোধীদল বি এন পি থেকে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। দলটির দাবি ছিল -প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ্যত্যাগ, নতুন কমিশন গঠন , প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল , সবার জন্য সমান সুযোগ ইত্যাদি ইত্যাদি।সরকারকে এই সকল দাবিগুলো মেনে নিতে চাপপ্রয়োগ করা হয়।কিন্তু এক পর্যায়ে শেখ হাসিনার অনুরোধে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যেতে রাজি হয়। কিন্তু মূল বিরোধীদল বি এন পি নির্বাচন বিরোধী মনোভাব ও নির্বাচনে কারচুপি হবে এরুপ অভিযোগ সব সময় করছিল। এসন কি নির্বাচন বয়কটের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিল । সিডিউল ঘোষণার পর যাতে নির্বাচন না হয় , এরুপ দাবিও করেছিল। বিদেশিদের দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করা জন্যও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাই বি এন পি যে স্বেচ্ছায়ও স্বঃপ্রণোদিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ব্যাপারটি তা নয়। নির্বাচন যাতে না হয় , সেটাই তাদের প্রচেষ্টা ছিল ।

মনে হয় ড. কামালের নির্বাচনে অংশগ্রহনের কারণেই দলটি নির্বাচন করে। বি এন পি ’র এরুপ নেতিবাচক মনোভাবের কারণে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সন্দেহ ছিল , নির্বাচন হবে কিনা। শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের পক্ষে সারাদেশে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় ; নির্বাচনে পরাজয় জেনে বি এন পি প্রথম থেকেই জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধন করার ষড়যন্ত্র করে এই প্রশ্নবিদ্ধ কখন ও কিভাবে করা হবে এর কৌশল তারা প্রথম থেকেই করে আসছে। তাদের সর্বশেষ অপকৌশল নির্বাচনে যখন অংশগ্রহন করতেই হবে ,তখন নির্বাচন কালীন সময়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এমন কেন্দ্র ছিল যেখানে বি এন পি দলীয় প্রার্থীদের তেমন তৎপর
হতে দেখা যায়নি । এমন কি তাদের দলীয় ভোটারদের ভোট দিতে পর্যন্ত উৎসাহিত করেনি। নির্বাচনকালীন সময় নির্বাচন পরিচালনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভোট কেন্দ্রে দলীয় এজেন্ট দেওয়া। কিন্তু অনেক কেন্দ্র ছিল একেবারেই ফাঁকা। এক্ষেত্রে দলটি চরম ব্যর্থতা দেখিয়েছে। কোন বিশেষ মহল ভোট কারচুপি করতে চাইলে তার সুযোগ তো বি এন পি করে দিয়েছে। এটাকি বিশ্বাস যোগ্য বি এন পি’র হেভী ওয়েট প্রার্থীরা কেন এত শোচনীয় ভাবে পরাজিত হলেন । প্রশ্ন হচ্ছে , তাদের দলীয় ভোট প্রায় ৩০ শতাংস ; এটা প্রমাণ করা হলেও ভোট প্রাপ্তির হার হবে ৩০ হাজার এর উপরে । নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে ঐক্য ফ্রন্ট প্রার্থীদের ভোট প্রাপ্তির পরিমাণ খুবই নগণ্য। অধিকাংশ প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে ও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

প্রথম ৩ ঘন্টা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং ৩০ শতাংস ভোট পুল হয়েছে। তাহলে বি এন পি’র ভোট গেল কেথায়? হয়তো তাদের নির্বাচনে ভোট দিতে নিষেধ করা হয়েছে।ভোট চুরি ঠেকানো পোলিং এজেন্টদের কাজ। তারাকি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে মহল বিশেষ কারচুপি করতে চাইলে , তার সুযোগ দেওয়া । প্রশ্ন উঠেছে এত বেশি সংখ্যক ভোট নৌকায় পড়লো কিভাবে ? এবার নৌকা সমর্থনে ভোট ছিল কমপক্ষে ৫০ শতাংস মত। এর সাথে নতুন প্রজন্মের
প্রায় দেড় কোটি ভোট ও ১০ শতাংস ভাসমান ভোট যুক্ত হয়েছে। সুতরাং একটা কেন্দ্রে ৭০-৮০ শতাংস ভোট প্রদান অস্বাভাবিক কিছু নয়। ভোটের দিন দুই-চারটা কেন্দ্র হয়তো বিশেষ কিছু লোক উৎসাহিত হয়ে অতিরিক্ত ভোট দেওয়ার পক্ষে কাজ করেছে। কিন্তু অধিকাংস নৌকার প্রার্থীরা ৭০-৮০ শতাংস ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়া স্বাভাবিক ।এর জন্য তাদের ভোট ডাকাতি করবার প্রয়োজন হয়নি। রাজধানীতে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন হয়েছে। এখানে যারা প্রার্থী ছিলেন সকলেই জনপ্রিয় ও যোগ্য। এমনকি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা নির্বাচন কেন্দ্র ঘুরে যে মতামত দিয়েছেন , তা থেকে বোঝা য়ায় নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে। তাদের ভাষ্য ছিল পৃথিবীর উন্নত ও গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যে ধরণের গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় , সেই প্রক্রিয়া এখানে অনুসরণ করা হয়েছে। গনমাধ্যমের প্রচারিত খবরে দেখা গেছে সাধারণ জনগণের মত তরুণ ও নারী ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যাপক ভাবে ভোট প্রদান করেছে । আমার তো মনে হয় তরুণরা এবার একটা ভোটও নৌকার বাহিরে দেয়নি। তাদের
এক মাত্র লক্ষ্য শেখ হাসিনা ও তার দলকে বিজয়ী করা । কেন না শেখ হাসিনা তাদের জীবনযাত্রা প্রণালীতে যে গতি সঞ্চার করেছেন এবং ভবিষ্যতে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবয়ন করে কর্মসংস্থান করবেন , সেই প্রত্যাশায় তারা ভোট দিয়েছেন । নারী ভোটারা ঠিক একই কারণে নৌকায় ভোট দিয়েছে। নারী সমাজের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি ও সমমর্যাদা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টির সুযোগ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনার সরকার।

সুতরাং গন জোয়ার যে নির্বাচনে সৃষ্টি হয়েছিল, তা মানুষ প্রত্যক্ষভাবে লক্ষ্য করেছে। অপর দিকে নির্বাচন স¤পর্কে বি এন পি’র বক্তব্য হচ্ছে -দলীয় সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ হতে পারে না। তত্ত¡াবধায়ক সরকার ছাড়া যে নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না বর্তমান নির্বাচন তারই প্রমাণ। বি এন পি অবশ্য ভালো করেই জানতো , শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে তাদের নির্বাচনে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া সম্ভব না। তাই তাদের ধারণা ছিল নির্বাচন করে কি হবে। বরং নির্বাচন যেহেতু প্রতিরোধ করা যাবে না, সে ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করা ও ফলাফল বর্জন করা
যুক্তিযুক্ত । তারা তাই করেছে। নির্বাচন চলাকালিন সময়ে জয় এর বিষয়ে তাদের তেমন তৎপরতা ছিলনা । একটা জাতীয় নির্বাচন কিন্তু তারা গুরুত্বই দেয়নি । উদ্দেশ্য ছিল এটাই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে এবং নির্বাচনে দায়িত্বরত অফিসারদের , আওয়ামীলীগ নেতা -কর্মীদেরও ভোটার দের ,প্রশাসনের কর্মরত
অফিসারদের ও ধর্মীয় সংখ্যা লঘূদের উপর হত্যাকান্ড চালিয়ে দলটি বর্হিঃবিশ্বে , দেখাতে চেয়েছিল যে শেখ হাসিনার অধিনে গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব না । তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।

সকাল ১২ টা পর্যন্ত তারা একধরনের কৌশল ও ১২ টার পর হয়তো ভেবেছিল প্রায় ২ শতাধিক ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদান প্রতিহত করতে পারলে ও বেশকিছু প্রাণহানি ঘটাতে পারলে বর্হিঃবিশে প্রমাণ করাতে পারবেন নির্বাচনে ব্যপক অনিয়ম হয়েছে এবং এই নির্বাচন বাতিল করা হোক। কিন্তু প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের
তীক্ষèদৃষ্টির কারনে বি এন পি’র সকল ষড়য়ন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে । অবশ্য তারা আরএকটি পরিকল্পনা সাজিয়েছিল , দলীয় হেভী ওয়েট প্রার্থীরা এত কম ভোট পায়, যা কেও বিশ্বাস করবে না । অপর দিকে ক্ষমতাসীন দলের কোন কোন প্রার্থী যে অস¦াভাবিক ভোট পেল, এতে কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা , কে জানে ? কিন্তু কিছু কেন্দ্রে বি এন পি সন্ত্রাসীরা নিয়ন্ত্রণ করেছে , মানুষ হত্যা করেছে এবং অনেক কেন্দ্রে ভোট গ্রহন কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন স্থগিত করেছে।

তাই ফলাফল প্রকাশের পর বি এন পি ও ঐক্য ফ্রন্ট যে তাদের নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে , এটার জন্য দলটি নেতারা দায়ী। আসলে তাদের এরকম ভরাডুবি হবে , তারা নিজেরা বুঝতে না পারলেও জনগন কিনÍু পূর্বেই অনুমান করতে পেরেছিল। আর বি এন পির নেতৃত্বের শূণ্যতা অন্যতম ফলবিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। এই জন্য দলকে পরিশুদ্ধ করার সময় এসেছে। নির্বাচনে দেশব্যাপী প্রকৃত চিত্র হচ্ছে- হাজার হাজার ভোটার বিশেষ করে নারী ও তরুনরা প্রচÐ শীতকে উপেক্ষা করে লাইনবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে। আর প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহাজোটের অত্যন্ত হেভি ওয়েট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বি এন পি প্রার্থী নির্বাচনে ভুল করেছে এবং দুর্বল ও নাম নাজানা প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। এটাও বি এন পির ফল বিপর্যয়ের কারণ । সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইতিবাচক হয়েছে। আমি একটা ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। আমি ‘ ৫৪, ‘৭০ এর নির্বাচন দেখেছি এবং ‘৭৩ এর নির্বাচনে নিজে প্রার্থী ছিলাম । আমার মনে হয়েছে এমন সুন্দর নির্বাচন জাতি অনেক দিন দেখেনি । বি এন পি , জামাত ও ড.কামাল হোসেনের দুর্নীতি , দুঃশাসন এবং জঙ্গি তৎপরতা এবং তারেক রহমানের হত্যা কান্ড সবকিছুই জনগন ভালো ভাবে নেয়নি। অন্য দিকে শেখ হাসিনার উন্নয়ের অগ্রযাত্রা, সফল রাষ্ট্রনায়কিত ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রæতি জন গন ভোট দিতে উৎসায়িত হয়েছে। তা ছাড়া জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ জননন্দিত নেত্রী ও সফল রাষ্ট্রনায়ক।তিনি বিশ্বনেতৃতে¦র ভূমিকায় অবতীর্ণ। তার সমকক্ষ বা তার চেয়ে জনপ্রিয় নেতা বাংলাদেশে আরকে আছে।

জাতীয় নির্বাচন একটি সংবিধানীক ধারা । আমাদেরদেশে নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীন ও অগাধ ক্ষমতার অধিকারী । নির্বাচন কমিশন অত্যনÍ সফলতার সাথে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ করেছে। দেশ ও জাতির আশা আকাঙ্খকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে এই কমিশন । এজন্য তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। এ জাতীয় নির্বাচনে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা ব্যয় হয় এবং সরকারের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হয় । বি এন পির কথায় নির্বাচন বর্জন ও নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে পূনরায় ভোট গ্রহনের দাবি এ যেন মামা বাড়ীর আবদার। নির্বাচন বিষয়ে তাদের কোন কথা থাকলে কমিশনে অভিযোগ জানান, কমিশন তদন্ত করে দেখবে কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা।

নির্বাচনে আসবেন , নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করবেন ও গনরায় প্রত্যাখান করবেন , তাহলে গন তন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন কোন পথে ? আবার যদি রাজপথে আন্দোলন করেন , হরতাল ডাকেন , জনগন আপনাদের এই
অনাকাঙ্খীত কার্যক্রেমকে আর সমর্থন দিবেনা । আর জনগন চাই দেশের সুখ , শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি। তারা বিশৃংঙ্খলা ও সন্ত্রাস দেখতে চাই না। অবশ্য বি এন পি একটা ভালো কথা বলেছে। আইনের ধার্ধাসঢ়;য় তারা
প্রতিবাদ জানাবে । বি এন পি‘র নেতৃত্বের কাছে শান্তি প্রিয় জনগন এমনটি প্রত্যাশা করে । তবে দয়াকরে আর দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ড চালাবেন না। আপনাদের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধাতে যে মহাবিপর্যয় ডেকে এনেছেন , আবার হঠকারিতা শুরু করলে আপনাদের পরিনতি কি হবে একটু ভেবে দেখুন । দেশ প্রেমিক জনগন ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি শেখ হাসিনার উপরে আস্থা রেখে বিজযী করেছে । সুতরাং তিনি জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণে সফলকাম হবেন। অভিনন্দন জননেত্রী শেখ হাসিনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*