দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের বিজয় দিবস পালন

বিশেষ প্রতিনিধি, দঃ কোরিয়াঃ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই দিনটি ছিলো বাঙালী জাতির আনন্দের দিন। এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ছিনিয়ে এনেছিলো লাল সবুজের রক্তিম সূর্য। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয় যুদ্ধের পর এইদিনে চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব দরবারে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্নপ্রকাশ পায়। যাদের রক্ত ও আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এ দিনটি। মহান বিজয় দিবস দেশের প্রতিটা জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন গ্রাম গঞ্জে উৎসব মূখর পরিবেশে উতযাপিত হয়। সেই রেশধরে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এর ব্যতক্রম নয়।

গতরবিবার ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের জাফরান রেস্টুরেন্টে উতযাপিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। এ দিনে দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগ একটি আলোচনা ও বর্ধিত সভার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আরশাদ আলম ভিকি, শাহিন মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়াজী,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজি শাহ আলম, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও দক্ষিণ কোরিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক রানা, দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ জুয়েল আহমেদ মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হোসেন প্রমূখ।

সভাপতির বক্তব্যে শিমুল হাসান এক্সেল বলেন- বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায়  আনতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা প্রবাস থেকে যার যার অবস্থান থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো দেশে থাকা আত্নিয় স্বজনদেরকে বুঝিয়ে বলতে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের কথা।

সাধারণ সম্পাদক সুইট বলেন- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পুনরায় জয়যুক্ত করতে হবে। তাহলেই আমাদের দেশ উন্নয়ন হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি শিমুল হাসান এক্সেল। পরিচালনায় ছিলেন- সাধারণ সম্পাদক সাইফুল করিম সুইট। কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে জাতীয় সংগীত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্নার মাগ ফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*